Posts

মেমোরি ইউনিট (র‍্যাম ও রম)

Image
  মেমোরি ইউনিট (র‍্যাম ও রম)  কম্পিউটারের সকল অপারেশন উহার ঈচট দ্বারা সম্পন্ন হয়। ক্ষুদ্রতম আকৃতির ডাটা অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ঈচট তে রেজিষ্টার থাকলেও মৌলিক ইন্সট্রাকশন, সম্পূর্ণ প্রোগ্রাম এবং ডাটা সংরক্ষণের কোন সামর্থ্য ঈচট এর নেই। রেজিষ্টারে মাত্র কয়েক বাইট ডাটা সংরক্ষণ করা যায়। রেজিষ্টার ছাড়াও হাজার হাজার বাইট প্রোগ্রাম এবং ডাটা সংরক্ষনের জন্য কম্পিউটারে একটি অংশের প্রয়োজন হয়, এ অংশকেই মেমোরি বলা হয়। অর্থাৎ কম্পিউটার উহার যে অংশে প্রোগ্রাম, ডাটা এবং ফলাফল সংরক্ষণ করে তাকে মেমেরি বলা হয়। কম্পিউটার সিষ্টেমের মেমোরিকে প্রধাণত দুই ভাগে ভাগ করা যায়ঃ ১। প্রাইমারি মেমোরিএবং ২। সেকেন্ডারী মেমোরি প্রাইমারি মেমোরি   কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমেরি সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তিতে তৈরী দ্রুতগতি সম্পন্ন মেমোরি। কম্পিউটার অপারেশনের সময় প্রোগ্রাম এবং ডাটা সংরক্ষণের জন্য প্রাইমারি মেমোরি ব্যবহৃত হয়। প্রাইমারি মেমোরি ভোলাটাইল এবং নন ভোলাটাইল  এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়। বিদ্যূৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিলে যে সেমিকন্ডাক্টর মেমোরির সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল...

লেজার প্রিন্টার

Image
  লেজার প্রিন্টার        উন্নত মানের প্রিন্টিংয়ের জন্য লেজার প্রিন্টারের বিকল্প নেই। বেশী পরিমাণ, ছাপার উন্নত মান, স্পষ্ট আউপুট এসবের জন্য লেজার প্রিন্টার সর্বাধিক পরিচিত। অন্যান্য প্রিন্টার থেকে এ প্রিন্টারটির প্রযুক্তিগত পার্থক্য রয়েছে। ফটোকপি মেসিনে যে প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয় লেজার প্রিন্টারেও সেই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। এতে কোনো রিবন বা তরল কালি ব্যবহৃত হয়না। তার পরিবর্তে টোনার নামে একটি বিশেষ ব্যবস্থায় পাউডার কালি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই পদ্ধতিতে একটি ফটোইলেকট্রিক বেল্ট বা ড্রামে লেজার বিম ফোকাস করা হয়, যার ফলশ্র“তিতে ইলেকট্রিক্যাল চার্জ উৎপন্ন হয়। ড্রামটি ঘুরতে ঘুরতে ডেভেলপার ইউনিটে প্রবেশ করে। ডেভলপার ইউনিট টোনারকে কিছু চার্জ দেয় ফলে ড্রামের অনাহিত অংশ আকর্ষণ করে। কাগজে দেওয়া হয় তার চেয়েও বেশী চার্জ। ফলে ড্রামের নিচ দিয়ে যাওয়ার সময় টোনার কাগজে স্থানান্তরিত হয়ে যায়। সবশেষে কাগজে লেগে থাকা টোনারকে বসাতে কাগজকে দুটি উত্তপ্ত ঘুর্ণায়মান সিলিন্ডারের মধ্য দিয়ে চালিয়ে দেওয়া হয় ফলে ইমেজ কাগজের উপর বসে পড়ে।

কন্টেন্ট কি

Image
 ১. কন্টেন্ট কি? উত্তরঃ কোন নির্দিষ্ট বিষয় সম্পর্কে লেখালেখি বা তথ্য দেয়ার নামই কন্টেন্ট।আর এই তথ্যগুলো ডিজিটাল মাধ্যম  যেমনঃ ইউটিউব ,ফেসবুক , ইন্সটাগ্রাম, ইত্যাদিতে লেখালেখির মাধ্যমে তথ্য দেওয়া। ২. কন্টেন্ট কত রকমের হতে পারে? উত্তরঃ কনটেন্ট মুলত চার প্রকার৷ ক)লিখিত ভাবে প্রকাশ করাঃ  যা লিখে বা টাইপ করে বুঝাতে পারেন তাই লিখিত কন্টেন্ট। খ)অডিও দিয়ে প্রকাশঃ  অডিও কনটেন্ট হচ্ছে কোন কিছু বলে বা সাউন্ড দিয়ে বুঝানো। যত কিছু মিউজিক আছে সেটা সবই অডিও কনটেন্ট। গ)ভিডিও দিয়ে প্রকাশঃ  ভিডিও কনটেন্ট হচ্ছে যেকোন ধরণের ভিডিও গ্রাফি। ঘ)ছবি দিয়ে প্রকাশঃ  আপনি আপনার কোন পণ্য বা সেবার ফটোগ্রাফি তুলে ধরলেন অথবা কোন তথ্যের কোন গ্রাফিক্যাল ভিউ তুলে ধরলেন। এটাই হচ্ছে ইমেজ কনটেন্ট। ৩. কন্টেন্ট কেন প্রয়োজন? উত্তরঃ কন্টেন্ট এর প্রয়োজনীয়তা অনেক। ধরুন আমি কোন পণ্য নিয়ে ব্যবসা করছি  এখন আমি যদি আমার ভোক্তাদের আমার কাজ সম্পর্কে কিছুই  না বলি তাহলে কিভাবে বুঝবে আমি কি কাজ করছি বা কি বুঝাতে চাচ্ছি! তাদেরকে বুঝানোর জন্য কনটেন্ট অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ৷ কন্টেন্টের সাহায্যে সহজেই যেকোন ...

দক্ষতা অর্জনের গুরুত্ব

দক্ষতা নিয়ে প্রথমত কিছু বেসিক জিনিস নিয়ে বলি, প্রথমত বলি দক্ষতা কি জিনিস? কোন কিছু জানাকে জ্ঞান বলে। জ্ঞানকে কাজে লাগানোর ক্ষমতাকে দক্ষতা বলে। এছাড়াও চাকরির দক্ষতা আপনাকে সুনির্দিষ্ট চাকরির জন্য প্রস্তুত করে। আবার লাইফ স্কিলগুলো দৈনন্দিন কাজের জন্য প্রস্তুত করে তোলে। বিভিন্ন ধরনের দক্ষতা রয়েছে; যা আপনার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে যেমন- স্কুল, কলেজ, অফিস, এমনকি খেলাধুলা বা শখের ক্ষেত্রেও সফল হতে সাহায্য করে। প্রত্যেক ক্যারিয়ারের জন্যই কিছু নির্দিষ্ট, প্রয়োজনীয় বা কাঙ্খিত জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতা রয়েছে। যা কাজে সফলতার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই আমাদের সবার দক্ষতা অজর্ন করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।  দক্ষতা কত ধরনের হতে পারে?  এটি সাধারণত অনেক রকম হয় কিন্তু আমি ৫ টা ধরন নিয়ে আলোচনা করছি, ক.  স্থানান্তরযোগ্য (Transferable) খ.  ব্যক্তিগত দক্ষতা (Personal Skill) গ.   জ্ঞানভিত্তিক দক্ষতা (Knowledge-based Skill) ঘ.   সফট স্কিল (Soft Skill) ঙ.   হার্ড স্কিল (Hard Skill) হয়তো প্রশ্ন আসবে এগুলা কিরকম  চলেন বলি!  স্থানান্তরযোগ্য দক্ষতাঃ এ...

প্রিন্টার কি এবং কিভাবে কাজ করে

Image
  প্রিন্টার কম্পিউটারের ফলাফল কাগজে ছাপা আকারে নেওয়ার জন্য জনপ্রিয় আউটপুট ডিভাইস হলো প্রিন্টার। প্রিন্টার এর মাধ্যমে কাগজে যে আউটপুট পাওয়া যায় তাকে হার্ড কপি বলা হয়। প্রিন্টারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়ঃ (ক) ক্যারেক্টার প্রিন্টার:  একসাথে একটি ক্যারেক্টার প্রিন্ট করে। অল্প আউটপুট এর ক্ষেত্রে পিসিতে ব্যবহৃত এ ধরনের প্রিন্টার প্রতি সেকেন্ডে ৩০ থেকে ৬০০ ক্যারেক্টার প্রিন্ট করতে পারে। যেমন – ডট-মেট্রিক্স প্রিন্টা, ডেইজি হুইল প্রিন্টার। (খ) লাইন প্রিন্টার :  একসাথে এক লাইন টেক্সট প্রিন্ট করে। অধিক পরিমানের আউটপুট এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত এ ধরনের প্রিন্টার প্রতি মিনিটে ৩০০ থেকে ৩০০০ লাইন প্রিন্ট করতে পারে। মিনি ও মেইনফ্রেম কম্পিউটারে এ ধরনের প্রিন্টার ব্যবহার করা যায়। যেমনঃ চেইন প্রিন্টার, ড্রাম লাইন প্রিন্টার। (গ) পেজ প্রিন্টার :  একসাথে এক পৃষ্ঠা প্রিন্ট করতে পারে। এ ধরনের প্রিন্টার প্রতিমিনিটে ১০ থেকে ৩০০ পৃষ্ঠা প্রিন্ট করতে পারে। যেমন- লেজার প্রিন্টার। টেকনোলজির উপর ভিত্ত করে প্রিন্টার আবার দুই প্রকারঃ (ক) ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার  এ ধরনের প্রিন্টারে একটি ইল...

Digital_Marketing

Image
“ Digital Marketing (ডিজিটাল মার্কেটিং)” এই শব্দটি কি ? 🔰বর্তমানে ইন্টারনেটের ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে, মানুষ এখন টেলিভিশন  দেখা বাদ দিয়ে সময় কাটাচ্ছে বিভিন্ন সামাজিক সাইটে বা YouTube, TikTok, এ। এক পরিসংখ্যায় দেখা গেছে শুধু মাত্র বাংলাদেশেই ২০১৯ সালে ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীর সংখ্যা ৯১.৬ মিলিয়ন। সক্রিয় মোবাইল সামাজিক সাইট ব্যাবহার কারীর সংখ্যা ৩৪ মিলিয়ন, এর মোবাইলে সামাজিক সাইট ব্যাবহার কারীর সংখ্যা ৩২ মিলিয়ন। সংখ্যা টা নিশ্চয় অবাক করার মতো তাই না, হ্যাঁ পরিসংখ্যান তাই বলছে, তাহলে ভাবুন 2021 এসে এর সংখ্যা কত এসে দাড়ায়, আর সামনে বা নাই গেলাম। 🔰“Digital Marketing (ডিজিটাল মার্কেটিং)” এখানে ২টি শব্দ আছে, আগে জানি আমরা Marketing কি ? 🔘Marketing কি ? সংক্ষেপে বলতে গেলে কোন পন্য/সেবা ভোক্তা বা গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর জন্যে যা যা করা হয় তার সবকিছুই হল মার্কেটিং।   🔘এবার আসা যাক “Digital Marketing (ডিজিটাল মার্কেটিং)” কি ? খুব সহজ কথায় বলতে গেলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোন পন্য বা সেবার বিজ্ঞাপণ দেওয়াকে “Digital Marketing (ডিজিটাল মার্কেটিং)” বলে। মার্কেটিং ২ প্রকার ✔ গতানুগতিক বা সা...

ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে কিছু টিপস

 💻💻 ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আপনাদের জন্য কিছু লিখলাম ✍ আপনারা অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং এই শব্দটি নাম অনেক বেশি শুনে থাকেন অনলাইন জগতে কিন্তু যারা একেবারে Basic লেভেলের তারা কি জানেন ফ্রিল্যান্সিং কি?  খায় না গায়ে মাখে?!!  যদি নাই জানা থাকে তবে শুরুটা করবেন কিভাবে!?  তাই শুরু যদি করতে চান তবে আপনাকে জানতে হবে ফ্রিল্যান্সিং কি সেই সাথে আরো কিছু বেসিক আইডিয়া নিতে হবে.....  আমি চেষ্টা করবো আজকের পোষ্টটির মাধ্যমে খুব সহজ ভাবে আপনাদের বুঝাতে। ➡ ফ্রিল্যান্সিং এটা একটি আরাম দায়ক পেশার নাম 😊 ➡ ফ্রিল্যান্সিং মানে স্বাধীন কাজ  ➡ ফ্রিল্যান্সিং মানে আপনার ইচ্ছে মতে কাজ করবেন এবং ঘরে বসেই Smart একটা ইনকাম করতে পারবেন  ➡ ফ্রিল্যান্সিং মানে আপনিই আপনার বস ➡ ফ্রিল্যান্সিং মানে সন্মানজনক কাজ  ➡ ফ্রিল্যান্সিং মানে টাকার স্বাধীনতার একটা মাধ্যম বলতে পারি  ➡ ফ্রিল্যান্সিং মানে নিজে ভালো কিছু করবেন সেই সাথে অন্যকে ও ভালো কিছু করার সুযোগ করে দিন ➡ ফ্রিল্যান্সিং মানে বাহিরের দেশের client এর কাজ করার পর ডলার ইনকাম  ➡ ইত্যাদি....  এখন তো জানতে পারছেন ফ্রিল্যান্সিং ...