ইঞ্জিনিয়ার্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ার্স
৭ মে ইঞ্জিনিয়ার্স ডে। সবাইকে "ইঞ্জিনিয়ার্স ডে" এর শুভেচ্ছা। আসুন সংক্ষেপে ইঞ্জিনিয়ার কাকে বলে এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স সিস্টেম সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করি।।
০১. ভর্তি পরীক্ষায় ফ্রম তোলার পর যোগ্যতা লিস্টে টিকে থাকা। তারপর ভর্তি পরীক্ষায় দেশের বাঘা বাঘা ছাত্রদের পেছনে ফেলে নিজের জায়গা করে নেওয়া।।
০২. বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর শুরু হয় “ইঞ্জিনিয়ারিং কাকে বলে এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা। চার বছরের কোর্সে ছুটি বাদে মাত্র ৬০০ কর্ম দিবসে ইঞ্জিনিয়ার যেসব কাজ সম্পন্ন করে তা সবাইকে অবাক করে দেয়। আসুন খুব সংক্ষেপে একটু দেখিঃ
--১৫৫০+ ঘন্টা ক্লাস, ২০০+ এসাইনমেন্ট এবং ১১২০+ ঘন্টা ল্যাবে কাজ করা।।
--১৫০+ ক্লাস টেস্ট, ১০০+ কুইজ এবং ৩১০+ ল্যাব রিপোর্ট।।
--১০+ এর বেশী ভাইভা বোর্ড ফেস করা।
--৪০+ এর বেশী সাবজেক্টের ফাইনাল পরীক্ষা দেয়া।
--২০+ বেশী প্রেজেন্টেশন দেয়া এবং বিশেষ প্রয়োজনে বিভিন্ন কোর্সে ফিল্ডে ২০০+ ঘণ্টা কাজ করা।
--মিনি থিসিস ১৩ সপ্তাহ, মূল থিসিস ২৬ সপ্তাহ, থিসিস প্রেজেন্টেশন এবং পেপার পাবলিকেশন।।
০৩. এছাড়া ক্ষেত্র বিশেষে সার্ভের মত ১০ দিনের ফিল্ড ওয়ার্ক, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং, ওয়ার্কশপ এবং কনফারেস্ন তো আছেই।।
০৪. ইঞ্জিনিয়ারিং কে বলা হয় পৃথিবীর সব থেকে কঠিন কোর্স সিস্টেম। গিনেজ ওয়ার্ল্ড বুকে ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সকে সব থেকে কঠিন এবং দুরুহ কোর্স সিস্টেম হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে বলে প্রচলিত আছে।।
০৫. আমি অনেক সময় বলি- "সোনাকে আগুনে পুড়ালে অলংকার হয়; তামাকে পিটালে তার (ওয়্যার) হয়; কার্বনকে সঙ্কুচিত করলে হিরা হয়। যে মানুষকে আগুন পুড়ানো হয়, পিটানো হয় এবং প্রচণ্ড চাপে সঙ্কুচিত করা হয় তাকে ইঞ্জিনিয়ার বলে।।“
"এতো আগুনে পুড়ে এবং প্রচন্ড চাপে সঙ্কুচিত হয়ে নিজের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে পৃথিবীকে প্রয়োগিক দিকে পৃথিবীকে এগিয়ে নিচ্ছে ইঞ্জিনিয়ার। বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসের মধ্যেও প্রকৌশলীরা যেভাবে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন সেজন্য অভিনন্দন জানাচ্ছি এবং সবার সুস্থতা কামনা করছি।
""স্যালুট ইঞ্জিনিয়ার্স। হ্যাটস অব ইঞ্জিনিয়ার্স। হ্যাপি ইঞ্জিনিয়ার্স ডে।।"

Like and share please
ReplyDelete